গ্রাম্য চিকিৎসক, স্যাকমো ও ফার্মেসি মালিকদের সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত
- আপলোড সময় : ২৫-০৮-২০২৬ ০৯:০৮:১০ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৫-০৮-২০২৬ ০৯:০৮:১০ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ::
শান্তিগঞ্জে মা ও শিশুর পুষ্টি উন্নয়নে মাল্টিপল মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সাপ্লিমেন্টস (এমএমএস) বিষয়ে পরিচিতি ও সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) উপজেলার এফআইভিডিবি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ইকবাল হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. কামাল উদ্দিন।
‘টেকসই পুষ্টির লক্ষ্যে বৈশ্বিক জোট’-এর উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে গ্রাম্য চিকিৎসক, সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (স্যাকমো), কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) ও ফার্মেসি মালিকরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে মাল্টিসেক্টরাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বিবরণ, লক্ষ্য, কার্যপদ্ধতি, কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। প্রকল্পের পরিকল্পনা পরিচালক ইসরাত হাসান প্রকল্পের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
এমএমএস বা ‘মাতৃকোণা’ এবং এমএনপি বা ‘পুষ্টিকোণা’ বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেন ড. সুবীর খিয়াং বাবু। এ ছাড়া সরকার ও দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের সঙ্গে প্রকল্পের সহযোগিতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন সংশ্লিষ্ট কারিগরি বিশেষজ্ঞরা।
অনুষ্ঠানে কেয়ার বাংলাদেশের মেইন অ্যালায়েন্স টিমের টিম লিডার ও সিএসএ ফর সান ইন বাংলাদেশের কো-চেয়ার মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম এবং দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের পরিচালক (প্রোগ্রাম ও প্রশিক্ষণ) জামিরুল ইসলাম বক্তব্য দেন। পরে স্যাকমো, সিএইচসিপি, গ্রাম্য চিকিৎসক ও ফার্মেসি মালিকদের অংশগ্রহণে এমএমএস বিষয়ে পৃথক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে কেয়ার বাংলাদেশের প্রজেক্ট অফিসার শেখ রাফিয়া করিম, আইডিইই-এর মার্কেট ডেভেলপমেন্ট অফিসার মো. মোশারফ হোসেন ও মো. আলী ইসলাম, দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের জয়ন্ত কুমার, আবু সাইদ, কুদরত পাশা, আবু উবায়দা, হারানচন্দ্র ধন ও গোলাম ইজদানিসহ সংশ্লিষ্টরা আলোচনায় অংশ নেন।
সংলাপে বক্তারা বলেন, মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করতে এমএমএসসহ প্রয়োজনীয় পুষ্টিসেবা সম্পর্কে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসক ও ওষুধ বিক্রেতাদের সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর, উন্নয়ন সংস্থা এবং স্থানীয় পর্যায়ের সেবাদানকারীদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে মা ও শিশুর পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ